🔎 GHUSH.NET • প্রকাশ্য অভিযোগ

মোঃ রাকিবুল হাসান পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) বিপি নং-৮১০৮১২৫৬৬৪,বর্তমান পোস্টিং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহিঃর্ভুত সম্পদ অর্জন প্রসঙ্গে অভিযোগ।

Complaint ID: GH-20260915-66FC7C
● কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে🔍 under_review👁️ 185 বার দেখা
ঘটনার তারিখ01 Oct 2025
অভিযোগে উল্লিখিত ঘুষ৳ 5,000,000.00
স্থানঢাকা বিভাগ
সংশ্লিষ্ট দপ্তরউল্লেখ নেই
প্রকাশের তারিখ15 Sep 2026
অভিযোগের ধরনবেনামী অভিযোগ

📝 অভিযোগের বিবরণ

বিষয়: মোঃ রাকিবুল হাসান পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) বিপি নং-৮১০৮১২৫৬৬৪,বর্তমান পোস্টিং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহিঃর্ভুত সম্পদ অর্জন প্রসঙ্গে অভিযোগ। জনাব ,, আমরা মোঃ রাকিবুল হাসান পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) বর্তমান পোস্টিং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এর বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহিঃর্ভুত সম্পদ অর্জন প্রসঙ্গে একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দাখিল করছি। ক . অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম,পদবী ও ঠিকানা : মোঃ রাকিবুল হাসান পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) বিপি নং-৮১০৮১২৫৬৬৪,বাংলাদেশ পুলিশ। বর্তমান পোস্টিং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। স্থায়ী ঠিকানা: হোল্ডিং নং ৬০,বাগমারা মেইন রোড,ওয়ার্ড নং২৭,খুলনা সিটি কর্পোরেশন,খুলনা - ৯১০০ খ . পুলিশ পরিদর্শক জনাব রাকিব হাসানের জ্ঞাত আয় বহিঃর্ভুত সম্পদের বিবরণ ও অর্জনের সময়কাল : ১) ১৭ই ফেব্রুয়ারী ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনায় জাতীয় সঞ্চয় পত্র শাখায় জমা রেখেছিলেন ৯ লক্ষ টাকা যাহার ক্রমিক নং খ-০৯৬৫৭৭৫,গ-০৫৫১৬৬৯ এই সময়কালে তিনি খুলনা বাগেরহাট জেলার সদর থানায় পুলিশের উপ পুলিশ পরিদর্শক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ২) ১৩ই ফেব্রুয়ারী ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনায় জাতীয় সঞ্চয় পত্র শাখায় জমা রেখেছিলেন ২০ লক্ষ টাকা যাহার রেজিস্ট্রেশন নং ২০২০-০০৮১০৬৩ এই সময়ে তিনি কর্মরত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানায় পুলিশ পরিদর্শক হিসাবে। ৩) ১২ই অক্টবর ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনায় জাতীয় সঞ্চয় পত্র শাখায় জমা রেখেছিলেন ১০ লক্ষ টাকা যাহার রেজিস্ট্রেশন নং ২০২০-০৬৪৭৩৫৩ এই সময়ে তিনি কর্মরত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর/দৌলতপুর থানায় পুলিশ পরিদর্শক হিসাবে। ৪) ১৯শে ফেব্রুয়ারী ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনায় জাতীয় সঞ্চয় পত্র শাখায় জমা রেখেছিলেন ২০ লক্ষ টাকা যাহার রেজিস্ট্রেশন নং ২০২৩-০১৯৪৭১০ এই সময়ে তিনি কর্মরত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর/দৌলতপুর থানায় পুলিশ পরিদর্শক হিসাবে। ৫) খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানার শাচিবুনিয়া মৌজায় বিশ্বাস প্রোপার্টিজে কিনেছেন জমি যাহার দাগ নং-২৩৭,২৪১,২৪৫,খতিয়ান নং-১৫৬২ যাহার বর্তমান আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ টাকা। কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর/দৌলতপুর থানায় পুলিশ পরিদর্শক হিসাবে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে এই সম্পদ তিনি ক্রয় করেছিলেন। ৬) বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনায় জাতীয় সঞ্চয় পত্র শাখায় নিজের স্ত্রী সামান্তা হাসানের নামে রেখেছেন বিপুল অংকের টাকা যা তার স্ত্রীর NID নম্বর দিয়ে খোঁজ নিলে বেরিয়ে আসবে এবং মায়ের নামেও রেখেছেন প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা এবং জানা গেছে অক্টোবর ২০২৫ এ রাকিব সাহেব আবারও তার মায়ের নামে বড় অংকের টাকা রেখেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের জাতীয় সঞ্চয় পত্র শাখায়।। ৭) পুলিশ পরিদর্শক রাকিব হাসান তার স্ত্রীকে অন্তত ৫০ ভরি সোনার অলংকার কিনে দিয়েছেন যা বর্তমানের অনুসন্ধানে তার শশুরবাড়িতে তার শাশুড়ির কাছে রক্ষিত আছে বলে জানা গেছে। ৮) জনাব রাকিব হাসান DMP ভাটারা থানাতে কর্মরত থাকালীন সময়ে তার স্ত্রী সামান্তা হাসানকে ঢাকার বসুন্ধরাসিটি থেকে একটি লেটেস্ট iphone কিনে দিয়েছেন এবং রাকিব সাহেব খুলনাতে তার নিজ ফ্ল্যাটে ফার্নিচার সহ সব দামী দামী আসবাবপত্র কিনেছেন এই ভাটারা থানায় কর্মরত থাকাকালীন সময়ে যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকার উপরে। ৯) নিজের আপন ছোট মামা জনাব রহমত আলী উজজল মীর , নড়াগাতি থানা নড়াইল ,তার বাস ট্রাকের ব্যবসায় লগ্নি করেছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এ ছাড়া তার বাল্যবন্ধু বন্ধু জনাব মনু সাহেবের ঔষধের দোকানে সিফাত ফার্মেসী ,খুলনা সদরের সাউথ সেন্ট্রাল রোডে অবস্থিত সেখানে লগ্নি করেছেন লক্ষ টাকা,টিবি ক্রস রোডে তার নিজের আপন ছোট খালার তিনতলা বাড়ি নির্মাণ করতেও সুদে টাকা ধার দিয়েছেন প্রায় ১২ লক্ষ টাকা। এ ছাড়া আরও পরিচিত মানুষের মাধ্যমে ব্যবসায় লগ্নি করেছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। ১০) জনাব রাকিব হাসান গত ০৪ ১২ ২০২৫ থেকে ২৭ ০৩ ২০২৬ পর্যন্ত DMP এর গুলশান থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এই স্বল্প সময়ের মধ্যে তিনি বিপুল পরিমান অবৈধ অর্থ ও সম্পদ উপার্জন করেছেন যা তিনি তার বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের নামে বেনামে ও বিশেষ করে তার শশুড়বাড়ীর স্বজনদের নামে সংরক্ষণ করেছেন। এমন কি তিনি এই স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি TOYOTA RUSH JEEP গাড়িও কিনেছেন নীল রঙের যাহার রেজিস্ট্রেশন নং ঢাকা মেট্রো - ঘ / ১৩ - ৮২৬২ । DMP এর গুলশান থানায় চাকরিরত সময়ে তিনি বিপদগ্রস্থ কোনো এক আওয়ামীলীগের পলাতক MP র কাছ থেকে গাড়িটি ক্রয় করেছেন যেটি তিনি বর্তমানে তার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া জনাব রাকিব সাহেবের ঘনিষ্ঠজন থেকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে গুলশান থানায় চাকরিরত অবস্থায় ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে গত ৪ মাসে রাকিব সাহেব প্রায় কোটি টাকার উপরে অবৈধ টাকা আয় করেছেন যা গুলশান থানায় তার বিশ্বস্ত নিন্ম পদস্থ পুলিশ সদস্যদের মধ্যে তদন্ত করলে সব সত্য বের হয়ে আসবে। জনাব রাকিব হাসানের বর্তমান পোস্টিং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ১১) DMP এর ক্যান্টনমেন্ট থানাতে পোস্টিং হওয়ার পরে এখানেও অবৈধ আয়ের সুযোগ নিয়ে আয় করে যাচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা এরই মধ্যে তিনি এই থানায় পোস্টিং হওয়ার সুবাদে তার NCP নেতা শ্যালককে একটি iphone ও তার মাতাকে প্রায় এক লক্ষ আসি হাজার টাকার একটি মোবাইল উপহার দিয়েছেন। অতি চতুর রাকিব সাহেবের নিজ মাতা তার এই অবৈধ আয়ের একজন সহযোগী কেননা রাকিব সাহেবের অবৈধভাবে অর্জন করা সম্পদ ও অর্থের তথ্য লুকাতে তিনি যথেষ্ট সহযোগিতা করে থাকেন যেমনটি করে থাকেন রাকিব সাহেবের স্ত্রী ও তার শাশুড়ী। রাকিব সাহেবের আয় করা এইসব অর্থ সম্পদ তিনি তার বিশস্ত ঘনিষ্ঠজনের নামেই ভুয়া কাগজপত্র তৈরী করে তাদের নামেই রেখেছেন। গ . উল্লেখিত অভিযোগ গুলোর সমর্থনে তথ্য-উপাত্তের নথি সমূহ নিন্মে সংযুক্ত করা হলো। ১) পুলিশ পরিদর্শক জনাব রাকিব হাসানের ছবি ২) উপপরিদর্শক থাকাকালীন সময়ে অবৈধভাবে আয় করা অর্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের নথি। তৎকালীন সময়ে নমিনি ছিলেন তার মাতা। ৩) ২০২২ - ২০২৩ অর্থবছরে অবৈধভাবে আয় করা অর্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের নথি। যেখানে তিনি প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করেছিলেন। ৪) খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানার শাচিবুনিয়া মৌজায় বিশ্বাস প্রোপার্টিজে নিজ নাম ক্রয় করেছেন জমি যাহার দাগ নং-২৩৭,২৪১,২৪৫,খতিয়ান নং-১৫৬২, যাহার বর্তমান আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ টাকা। জমির নথি। ৫) জনাব রাকিব সাহেব ২০২৬ সালে ঢাকার গুলশান থানায় চাকরিরত সময়ে একটি TOYOTA RUSH JEEP গাড়িও কিনেছেন নীল রঙের যাহার রেজিস্ট্রেশন নং ঢাকা মেট্রো - ঘ / ১৩ - ৮২৬২ । গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নং সহ ছবি। ৬) জনাব রাকিব সাহেবের মায়ের NID এর কপি। ৭) ইন্সপেক্টর রাকিব সাহেব কে নিয়ে সংবাদিকদের করা একটি অনুসন্ধানীমূলক তথ্য সমূহ। অতএব, বিনীত অনুরোধ,উপরোক্ত অভিযোগটি তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত নিবেদক, এলাকাবাসীর পক্ষে , মোঃ শামীম রেজা, মোঃ সেলিম, মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ এজাজ আহমেদ
ℹ️ স্বচ্ছতার নোট: এই পেজে প্রকাশিত তথ্য অভিযোগ ও প্রকাশযোগ্য রেকর্ডের ভিত্তিতে দেখানো হয়েছে। “অভিযোগে উল্লিখিত ঘুষ” প্রমাণিত ঘুষের পরিমাণ বোঝায় না। কর্তৃপক্ষের জবাব ও পরবর্তী ব্যবস্থা পাওয়া গেলে তা প্রকাশযোগ্য হিসেবে যুক্ত হতে পারে।